রাতে ঘুমানোর আগে পানি পান করবেন যেসব কারণে

পানিশূণ্যতা হলে যে, একাধিক শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়া আগে বেশি নয়, মাত্র এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তবে এমনটা করা যদি শুরু করেন, তাহলে যে শুধু দেহের ভেতরে চাহিদা মিটবে, তাই নয়। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু শারীরিক উপকার মিলবে, যেমন:-

১. মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে: রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে পানি পান না করলে দেহের ভেতরে এত মাত্রায় পানির ঘাটতি দেখা দেয় যে, যা ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয় অ্যাংজাইটিও। তাই এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তা সুনিশ্চিত করতেই ঘুমতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এমন অভ্যাস করলে মন-মেজাজ তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে ঘুমও বেশ ভল মতই হয়।

২. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রিরে শুতে যাওয়ার আগে কম করে এক গ্লাস পানি পান করলে পেশি এবং জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এনার্জি লেভেলও বাড়ে। শুধু তাই নয়, দেহের ভেতরে পানির ঘাটতি মেটার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোনের ক্ষরণও ঠিক মতো হতে শুরু হয়। ফলে সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না।

৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু কেস স্টাডির পর একথা প্রমাণিত হয়েছে যে, রাত্রে শোওয়ার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। ফিরে আসে আদ্রতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে শুরু করে।

৪. সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটে: রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে পানি খেতে পারলে আরেকটি উপাকার পাওয়া যায় তা হল, সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের ভাইটাল অর্গ্যানদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ধমনীতে জমে থাকা বর্জ পদার্থও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।