কিশোরীর খোঁজ মিলল, তবে...

<h1>কিশোরীর খোঁজ মিলল, তবে...</h1>

গাইবান্ধায় নিখোঁজের নয় দিন পর আঁখি আক্তার (১৬) নামের এক কিশোরীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে গাইবান্ধা সদর উপজেলার তিনগাছেরতল এলাকার একটি ইটভাটার টয়লেটের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আজ বুধবার টিটু মিয়া (২৫) নামের একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। নিহত আঁখি আক্তার গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘাগোয়া গ্রামের আক্কাছ আলীর মেয়ে।

গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ সূত্র জানায়, ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে আঁখি জামাকাপড় কেনার জন্য বাড়ি থেকে গাইবান্ধা শহরে যায়। এরপর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরে বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। এরপর থেকে তার সন্ধানে পুলিশ অভিযান চালাতে থাকে। এরই মধ্যে স্থানীয় লোকজন গতকাল সন্ধ্যায় ওই ইটভাটার টয়লেটের ভেতরে লাশটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর বাবা আক্কাস আলী কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। আজ বুধবার সকালে টিটু মিয়া (২৫) নামের ওই যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশ। তাঁর বাড়ি একই ইউনিয়নের উত্তর ঘাঘোয়া গ্রামে।

কিশোরীর বাবা আক্কাস আলী অভিযোগ করেন, এক বছর আগে আঁখি আক্তারকে নিয়ে উধাও হন ওই টিটু মিয়া। কয়েক দিন পর তাদের বাড়িতে ফিরে আনা হয়। এরপর গ্রাম্য সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়। এর জের ধরে আঁখি আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, টিটু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

তথ্য সূত্রঃ প্রথম আলো